২০৩০ সালের মধ্যে সবচেয়ে চাহিদাপূর্ণ পেশা কোনগুলো হবে ?

১. প্রকৌশল-স্থাপনা।

২. ওয়েব ডেবলপার।

৩. চিকিৎসা এবং নার্সিং।

৪. সেলস ও মার্কেটিং।

৫. সাইবার সিকিউরিটি নিনজা।

৬. মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট।

৭. অনলাইন টিউটর।

৮. ব্যংকিং এন্ড ফিন্যান্স।

৯. ডিজিটাল মার্কেটিং।

১০. রেজিস্ট্রার নার্সিং।

১১. সফটওয়্যার ডেবলফার।

১২. ট্রেইনার এবং শিক্ষকতা।

১৩. উদ্ভাবন ও ডিজাইনিং।

১৪. কনষ্ট্রাকশন শ্রমিক।

১৫. টেলিকম।

১৬. ডাটা ডিটেকটিভ

১৭.. কম্পিউটার সম্পৃক্ত সকল পেশা সমুহ।


বিশ্বব্যাপী চাহিদার সাথে নিজেকে সঠিকভাবে তৈরি করে,চাহিদাপূর্ণ পেশাগুলোতে প্রশিক্ষন গ্রহন করতে হবে। চাহিদাপূর্ণ পেশা সমুহে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি তথা একটা দেশ উন্নতির চরম শিখরে আরোহন করে। তাই ভবিষ্যৎ চাহিদার উপর ভিত্তি করে পরিকল্পনার সাথে অগ্রসর হওয়া বঞ্চনিয় নয়ত আমরা পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বো।

এই লেখাটা সম্পূর্ণ অবজারভেশনের উপর ভিত্তি করে। আপনি ভার্সিটিতে ভর্তি হবার সময় দেখেন, কোন ফিল্ডের মার্কেট ভালো। সেই সাবজেক্ট পিক করেন, পড়ালেখা শেষ করে বের হন, আর দেখেন যে, যা ভেবে শুরু করেছিলেন, ব্যাপারটা আসলে তেমন নয় । এটা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। এর কারণ হল, দুনিয়ার চাহিদার সাথে সাথে ফিল্ডের ডিম্যান্ড শিফট করে। আপনি দেখলেন

কম্পিউটার সায়েন্সের ভালো মার্কেট, পড়ালেখা শেষ করে দেখলেন, অনেক মানুষ ফর্মাল পড়ালেখা ছাড়াই মারাত্মক প্রোগ্রামার। আপনার কাছে মনে হবে, থিওরি কোর্সের চাপে আপনি আসলে কাজের জিনিস টিতেই দক্ষ হতে পারেন নি । এখন যেমন, ডাটা সায়েন্সের মারাত্মক ডিম্যান্ড। আপনি স্ট্যাটিসটিক্স নিয়ে পড়ালেখা করলেন, প্রোগ্রামিং শিখলেন, ফিল্ডে এসে দেখলেন যে, অধিকাংশ জব চলে গেছে নন-স্ট্যাটিসটিশিয়ানদের দখলে। কারণ, কোম্পানিগুলোর ফোকাস কোন একটা স্পেসিফিক টাইপের ডাটা নিয়ে – বায়োলজিক্যাল ডাটা, ফাইনেন্সিয়াল ডাটা, শেয়ার মার্কেট অ্যানালাইসিস – এই সব নিয়ে। আপনি অনেক স্ট্যাটিসটিক্স জানার পরও কোম্পানির জন্য আপনি খুব একটা বড় অ্যাসেট নন, কারণ, ইন্টারপ্রিটেশনের জন্য ডেপ্থ কম আপনার। এই সমস্যার সমাধান আমার কাছে নেই , কিংবা কেউ আপনাকে কোন শর্টকাট ফর্মুলা দিতে পারবে না।

কিন্তু, আমরা যেটা করতে পারি, তা হল, আগামী ১০/২০ বছরে গ্লোবাল শিফট কোন দিকে যাচ্ছে তা নিয়ে আগে থেকে চিন্তা করতে, নিজেকে প্রিপেয়ার করতে। আপনি আগে থেকে হয়তো অনুমান করতে পারবেন না, আগামী ১০/২০ বছরে কোন ফিল্ডে বেশি ফান্ড আসবে। কারণ, এতো উপর পর্যন্ত আমাদের যোগাযোগ নেই। কিন্তু, মেজর জার্নাল গুলোর আছে। যেমনঃ ন্যাচার, সায়েন্স, সেল। তারা প্রতিনিয়ত অ্যানালাইসিস করে শিফট কোন দিকে যাচ্ছে, আর ঐ মোতাবেক নতুন জার্নাল নিয়ে আসে। এর ফলে, ফিল্ড যখন শিফট করা শুরু করবে, সকল মেজর আর্টিকেল তারা ক্যাপচার করতে পারবে। এটা আপনি যদি একটু খেয়াল করেন, ঠিক দেখবেন একইভাবে ন্যাচার, সায়েন্স, সেল ক্যাপচার করেছে ক্যান্সার বায়োলজি কিংবা সেল বায়োলজির মেজর আর্টিকেল, কারণ তারা ফিল্ড শিফট হবার আগেই ঐ রিলেটেড জার্নাল খুলে বসে ছিল।

Write A Comment

fourteen + 4 =

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. more information

The cookie settings on this website are set to "allow cookies" to give you the best browsing experience possible. If you continue to use this website without changing your cookie settings or you click "Accept" below then you are consenting to this.

Close